অবিলম্বে সুন্দরবনে পরিবেশগত দুর্যোগ ঘোষণা করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

Sundarban Samachar | 11 December 2014
Staff Reporter
--------------------------------------------------
জরুরী ভিত্তিতে তেল-দূষণ দূর করার জন্য শত শত স্বেচ্ছাসেবক প্রয়োজন

সুন্দরবনে তেলবাহী জাহাজ ডুবির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে আজ বৃহস্পতিবার খুলনা প্রেসক্লাবে নাগরিক সমাজের জোট ‘সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ দল’ বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন), গ্রামীণ জীবনযাত্রার স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য প্রচারাভিযান (সিএসআরএল), ইক্যুইটি অ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ – বাংলাদেশ (ইক্যুইটিবিডি), ফরেস্ট পিপলস্‌ প্রোগ্রাম (এফপিপি) ও ম্যানগ্রোভ অ্যাকশন প্রোজেক্ট (ম্যাপ) যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ক্লিন’র প্রধান সঞ্চালক হাসান মেহেদী।

“একটি বালুবাহী জাহাজকে তেল পরিবহনের অনুমতি প্রদান সুন্দরবনে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ” বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের গর্ব সুন্দরবন আজ ভয়াবহ হুমকির মুখোমুখি। এ অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে তেল-দূষণের বিস্তার রোধ ও অপসারণের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রাপ্য উপকরণ দিয়ে শত শত স্বেচ্ছাসেবক নিযুক্ত করা দরকার। সরকার অবিলম্বে এ উদ্যোগ নিলে সুন্দরবনের বিপন্নতা কমানো সম্ভব হবে। কিন্তু গত দুই দিনে সরকারের আন্তরিকতা চোখে পড়লেও জরুরি উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।”

তিনি বলেন, ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে তিনটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সুন্দরবনে তেল-দূষণের সম্ভাব্য ক্ষতি বিষয়ে একটি সমীক্ষা চালায়। তেল-দূষণ থামানো না গেলে প্রথম ১৫ দিনের মধ্যে পাখি, কচ্ছপ, ছোট মাছ ও অমেরুদন্ডি প্রাণি মারা যেতে পারে বলে ওই সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছিলো। এছাড়া প্রতিবেদনে তেল-দূষণ রোধ করার জন্য বন বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও উপকরণ ক্রয়, স্থানীয় জনগণ ও স্বেচ্ছাসেবীদের অংশগ্রহণে বাঁশ, কাঠের গুড়ি, কাঁচাপাট, খড়কুটো, বস্তা ও চট ব্যবহার করে দ্রুত উদ্যোগ নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছিলো। ওই প্রতিবেদনের পর এক যুগ পার হয়ে গেলেও কোনো প্রস্তুতি নেয়া হয়নি।

তিনি বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে প্রাণবৈচিত্র্য ধ্বংস হবার পাশাপাশি মানবদেহে দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সার, কিডনি ও যকৃত অকেজো হয়ে যাওয়া, স্নায়ুর স্থায়ী ক্ষতিসাধন, রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া এবং রক্তের তারল্য বেড়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বিপন্ন প্রাণীর অভয়াশ্রমকে নিরাপদ রাখার জন্য কোনো ধরনের রাসায়নিক পাউডার ব্যবহারের প্রতিবাদ জানানো হয়।

তিনি বলেন, কোনো প্রকার রাসায়নিক দ্রব্যের মাধ্যমে তেল অপসারণ করলে কিংবা বনের ভেতরে ঢুকে তেল দূরীভূত করার চেষ্টা করলে তা হবে আত্মঘাতের শামিল। তেল দূরীভূত করার জন্য আগুন ধরালে তা সুন্দরবনে আগুন ছড়িয়ে দিতে পারে বলেও সতর্ক করেন। তেলভূক ব্যাকটেরিয়া ছড়ানোর পদ্ধতি কার্যকর হলেও বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য সেটি খরচবহুল হবে বলে বক্তারা অভিমত দেন। বক্তারা যতো দ্রুত সম্ভব শত শত তরুণ স্বেচ্ছাসেবীদেরকে দেশি উপকরণ দিয়ে নিযুক্ত করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে নৌরুট বন্ধ করার নির্দেশ দেন। এরপর ২০১২ সালের ২১ আগস্ট পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে একই দাবি জানায়। কিন্তু নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয় এ নির্দেশ ও অনুরোধের কোনো তোয়াক্কা করে নি।

তিনি অবিলম্বে সুন্দরবনে পরিবেশগত দুর্যোগ ঘোষণা, জরুরি ভিত্তিতে সুন্দরবনের নদী ও খাল থেকে তেল অপসারণের জন্য সম্মিলিত সামরিক ও বেসামরিক বাহিনী এবং স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও কোম্পানির কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়, সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে নৌ-চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধ করা, তেল অপসারণের কাজ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সরাসরি তদারক করা ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও উপকরণ সংগ্রহে জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ দলের আহ্বায়ক গৌরাঙ্গ নন্দী, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)’র বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র খুলনা সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার,, হিউম্যানিটিওয়াচ-এর নির্বাহী সদস্য পলাশ দাশ প্রমূখ। 

অবিলম্বে সুন্দরবনে পরিবেশগত দুর্যোগ ঘোষণার দাবি পরিবেশবাদি সংগঠনসমূহের

Ekusheralo24.com | December 11, 2014


অবিলম্বে সুন্দরবনে পরিবেশগত দুর্যোগ ঘোষণার দাবি

Bangla Tribune | রাত ০৯:৪৯ ডিসেম্বর ১৩, ২০১৪
খুলনা প্রতিনিধি
--------------------------------------------------
Human Chain of CLEAN, Janauddyog, Poribesh Bachao Andolan (POBA), BARCIK and CSRL for declaring environmental emergency in the Sundarbans due to oil spillage
 অবিলম্বে সুন্দরবনে পরিবেশগত দুর্যোগ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে কয়েকটি পরিবেশবাদী সংগঠন। শনিবার বিকাল তিনটায় খুলনা পিকচার প্যালেস মোড়ে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন চলাকালে আয়োজিত সমাবেশে বক্তারা এ দাবি জানান। উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন), গ্রামীণ জীবনযাত্রার স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য প্রচারাভিযান (সিএসআরএল), জনউদ্যোগ ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)’র যৌথ আয়োজনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, একটি বালি বহনকারী কার্গো কিভাবে তেলের ট্যাংকারে পরিণত হলো কিংবা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরও কেন শ্যালা নদীতে বাণিজ্যিক নৌযান চলার অনুমতি দেয়া হলো সে প্রশ্নের উত্তর ও দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিবিধান করা জরুরি। তবে তার চেয়েও জরুরি এখনই সুন্দরবনে পরিবেশগত দুর্যোগ ঘোষণা করা এবং যতো বেশি সম্ভব স্বেচ্ছাসেবক নিযুক্ত করে নদী থেকে তেল অপসারণ করা।

তারা অভিযোগ করেন, সুন্দরবনে তেল ট্যাঙ্কার দুর্ঘটনার পর পরিবেশ যখন চরম বিপর্যয়ের মুখোমুখি তখন সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ না নিয়ে ধারাবাহিক সভা আর কমিটি গঠন করে যাচ্ছে। অপরদিকে দুর্ঘটনার ৪ দিন পার হয়ে গেলেও দায়ী ট্যাংকারের মালিক বা কর্মকর্তা এখনও গ্রেফতার হয়নি।

বক্তারা তেল অপসারণের জন্য বেসামরিক প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী নিয়োগের দাবি জানান। এছাড়া বক্তারা তেল অপসারণের কার্যক্রম সরাসরি তদারক করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জন উদ্যোগের খুলনা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা। বক্তৃতা করেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)’র চেয়ারম্যান আবু নাসের খান, ক্লিন-এর প্রধান সঞ্চালক হাসান মেহেদী, পবা’র সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল, অধ্যাপক শেখ সাদী ভূঞা, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

সুন্দরবনে জরুরি পরিবেশগত দুর্যোগ ঘোষণার দাবি

Thereport24.com | 11 December 2014
Khulna Bureau
----------------------------------------------

‘বাংলাদেশের গর্বের ধন সুন্দরবন আজ ভয়াবহ হুমকির মুখে। এ অবস্থায় জরুরিভিত্তিতে তেল-দূষণের বিস্তার রোধ এবং তা অপসারণের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রাপ্য উপকরণ দিয়ে শত শত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা দরকার।’ খুলনা প্রেসক্লাবে নাগরিক সমাজের জোট ‘সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ দল’ বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ দাবি জানায়। সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে সরকারকে ওই উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়। এর মাধ্যমে সুন্দরবনের বিপন্নতা কমানো সম্ভব হবে বলে দাবি করা হয়। ‘গত দুই দিনে সরকারের আন্তরিকতা চোখে পড়লেও জরুরি উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না’ বলেও সংবাদ সম্মেলন থেকে অভিযোগ করা হয়।

নাগরিক সমাজের জোট ‘সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ দল’ বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন), গ্রামীণ জীবনযাত্রার স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য প্রচারাভিযান (সিএসআরএল), ইক্যুইটি এ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ (ইক্যুইটিবিডি), ফরেস্ট পিপলস্ প্রোগ্রাম (এফপিপি) ও ম্যানগ্রোভ এ্যাকশন প্রোজেক্ট (ম্যাপ) যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ক্লিনের প্রধান সঞ্চালক হাসান মেহেদী। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে তিনটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সুন্দরবনের তেল-দূষণের সম্ভাব্য ক্ষতি বিষয়ে একটি সমীক্ষা চালায়। তেল-দূষণ থামানো না গেলে প্রথম ১৫ দিনের মধ্যে পাখি, কচ্ছপ, ছোট মাছ ও অমেরুদণ্ডী প্রাণী মারা যেতে পারে বলে ওই সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল।’ তিনি অভিযোগ করেন, ‘ওই প্রতিবেদনে তেল-দূষণ রোধ করার জন্য বন বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও উপকরণ ক্রয়, স্থানীয় জনগণ ও স্বেচ্ছাসেবীদের অংশগ্রহণে বাঁশ, কাঠের গুঁড়ি, কাঁচাপাট, খড়কুটো, বস্তা ও চট ব্যবহার করে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল। ওই প্রতিবেদনের পর এক যুগ পার হয়ে গেলেও কোনো প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি।’


হাসান মেহেদী বলেন, ‘ট্যাংকার ডুবির ঘটনায় সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে প্রাণবৈচিত্র্য ধ্বংস হবার পাশাপাশি মানবদেহে দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সার, কিডনি ও যকৃত অকেজো হয়ে যাওয়া, স্নায়ুর স্থায়ী ক্ষতিসাধন, রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া এবং রক্তের তারল্য বেড়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে।’ সংবাদ সম্মেলন থেকে বিপন্ন প্রাণীর ‘অভয়াশ্রম’ নিরাপদ রাখার জন্য কোনো ধরনের রাসায়নিক পাউডার ব্যবহারের প্রতিবাদ জানানো হয়। বক্তারা বলেন, ‘কোনো প্রকার রাসায়নিক দ্রব্যের মাধ্যমে তেল অপসারণ করলে কিংবা বনের ভেতরে ঢুকে তেল দূরীভূত করার চেষ্টা করলে তা হবে আত্মঘাতের শামিল। তেল দূরীভূত করার জন্য আগুন ধরালে তা সুন্দরবনে ছড়িয়ে যেতে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করা হয়।’

‘তেলখেকো ব্যাকটেরিয়া ছড়ানোর পদ্ধতি কার্যকর হলেও বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য সেটি খরচবহুল’ বলেও অভিমত প্রকাশ করেন বক্তারা। বক্তারা যত দ্রুত সম্ভব শত শত তরুণ স্বেচ্ছাসেবীদের দেশী উপকরণ দিয়ে তেল অপসারণের জন্য ঘটনাস্থলে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয়, ২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে নৌরুট বন্ধ করার নির্দেশ দেন। ২০১২ সালের ২১ আগস্ট পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে একই অনুরোধ জানায়। কিন্তু নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ওই নির্দেশ ও অনুরোধের কোনো তোয়াক্কাই করেনি।


‘সুন্দরবনে জরুরি পরিবেশগত দুর্যোগ ঘোষণা করো, জরুরি ভিত্তিতে তেল অপসারণের উদ্যোগ নাও, ক্ষতিপূরণ আদায় করো এবং প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষা করো’- এসব দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে সুন্দরবন রক্ষায় সামরিক ও বেসামরিক বাহিনীসহ স্থানীয়ভাবে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের মাধ্যমে বর্তমান বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ছাড়া ওই দুর্ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেফতার এবং যথাযথ ক্ষতিপূরণ আদায়, সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে নৌ-চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধসহ তেল অপসারণের কাজ প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে সরাসরি তদারকিরও আহ্বান জানানো হয়।

এ ধরনের দুর্ঘটনা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও উপকরণ সংগ্রহে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ দলের আহ্বায়ক গৌরাঙ্গ নন্দী, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) খুলনা অঞ্চলের সমন্বয়কারী এ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার, জনউদ্যোগের খুলনা সমন্বয়কারী মহেন্দ্রনাথ সেন, হিউম্যানিটিওয়াচের নির্বাহী সদস্য পলাশ দাশ প্রমুখ।

সুন্দরবনে পরিবেশগত দুর্গত এলাকা ঘোষণার দাবি

Sampadona.com | 12 December 2014
---------------------------------------------

Drowned Oil tanker and slicked oil in Shela River
বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবে সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ দলের ব্যানারে বাপা, বেলা, ক্লিন, সিএসআরএল, এফপিপি ও ম্যাপ এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে ৬ দফা দাবি উপস্থাপন করেন। দাবি গুলো হলো, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২৫ ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইন (সংশোধিত ২০১০) এর আওতায় সুন্দরবনে পরিবেশগত দুর্গত এলাকা ঘোষণা করতে হবে; জরুরী ভিত্তিতে সুন্দরবনের নদী ও খাল থেকে তেল অপসারণের জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে। এজন্য সম্মিলিত সামরিক ও বেসামরিক বাহিনী নিয়োগ করতে হবে এবং দেশি ও সহজলভ্য উপকরণ দিয়ে সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবক নিযুক্ত করতে হবে; যদিও কোনো অর্থমূল্যে পরিবেশগত ক্ষতি পুরোপুরি থামানো যাবে না; তবুও তেল-দূষণের জন্য দায়ী কোম্পানির কর্তৃপক্ষকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হবে যাতে তেল অপসারণ ও বাদাবন পুনর্বাসনের খরচ মেটানো যায় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা বন্ধ হয়; সুন্দরবনের ভেতর থেকে বাণিজ্যিক নৌযান স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে; তেল অপসারণের কার্যক্রম যথাযথভাবে করার জন্য তদারকির দায়িত্ব পরিবেশ মন্ত্রীকে গ্রহণ করতে হবে; জরুরিভিত্তিতে তেল-দূষণ দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও উপকরণ ক্রয়ে অবিলম্বে উদ্যোগ নিতে হবে। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সদস্য সচিব হাসান মেহেদী। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গৌরাঙ্গ নন্দী, এডভোকেট বাবুল হাওলাদার, মাহফুজুর রহমান প্রমুখ। সম্মেলনে খুলনা বেলার সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল বলেন, ট্যাঙ্কার ডুবিতে তেল দূষণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৫শ’ থেকে হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

খুলনায় পরিবেশবাদী সংগঠনসমূহের সংবাদ সম্মেলন

The daily Inqilab | 12 December 2014
খুলনা ব্যুরো
---------------------------------------------
CLEAN chief executive Hasan Mehedi is reading written speech in the Press Conference on Oil Spillage in the Sundarbans
“বাংলাদেশের গর্বের ধন সুন্দরবন আজ ভয়াবহ হুমকির মুখোমুখি। এ অবস্থায় জরুরিভিত্তিতে তেল-দূষণের বিস্তার রোধ ও অপসারণের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রাপ্য উপকরণ দিয়ে শত শত স্বেচ্ছাসেবক নিযুক্ত করা দরকার। সরকার অবিলম্বে এ উদ্যোগ নিলে সুন্দরবনের বিপন্নতা কমানো সম্ভব হবে। কিন্তু গত দুই দিনে সরকারের আন্তরিকতা চোখে পড়লেও জরুরি উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না”।

গতকাল খুলনা প্রেসক্লাবে নাগরিক সমাজের জোট ‘সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ দল’ বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন), গ্রামীণ জীবনযাত্রার স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য প্রচারাভিযান (সিএসআরএল), ইক্যুইটি অ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ (ইক্যুইটিবিডি), ফরেস্ট পিপলস্ প্রোগ্রাম (এফপিপি) ও ম্যানগ্রোভ অ্যাকশন প্রোজেক্ট (ম্যাপ) যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ক্লিন-এর প্রধান সঞ্চালক হাসান মেহেদী।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ দলের আহক্ষায়ক গৌরাঙ্গ নন্দী, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)’র বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র খুলনা সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার, জনউদ্যোগের খুলনা সমন্বয়কারী মহেন্দ্রনাথ সেন, হিউম্যানিটিওয়াচ-এর নির্বাহী সদস্য পলাশ দাশ প্রমুখ।

Link: http://dailyinqilab.net/2014/12/12/225118.php?sid=

তেলে কালো চারদিক ডলফিনের দেখা নেই : দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি

Daily Kaler Kantho | 12 December 2014
নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা ও মংলা
নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা ও মংলা
------------------------------------------------
* জাহাজ উদ্ধার, তেল তুলবে এলাকাবাসী - See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/first-page/2014/12/12/162034#sthash.VhnQ2yVC.dpuf
 
পানির ওপর ভাসছে থকথকে কালো তেল। সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে এমন ভয়াবহ দৃশ্যই চোখে পড়ে। ছবি : কালের কণ্ঠ
জরুরিভিত্তিতে তেল দূষণের বিস্তার রোধ ও তা অপসারণে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা দরকার। সরকার অবিলম্বে এ উদ্যোগ নিলে সুন্দরবনের বিপন্নতা কমানো সম্ভব হবে। সরকারের আন্তরিকতা চোখে পড়লেও জরুরি উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। গতকাল খুলনা প্রেসক্লাবে নাগরিক সমাজের জোট ‘সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ দল’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন।
 
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন), গ্রামীণ জীবনযাত্রার স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য প্রচারাভিযান (সিএসআরএল), ইক্যুইটি অ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ- বাংলাদেশ (ইক্যুইটিবিডি), ফরেস্ট পিপলস্ প্রোগ্রাম (এফপিপি) ও ম্যানগ্রোভ অ্যাকশন প্রোজেক্ট (ম্যাপ) যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ক্লিনের প্রধান সঞ্চালক হাসান মেহেদী।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে তিনটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সুন্দরবনে তেল দূষণের সম্ভাব্য ক্ষতি বিষয়ে একটি সমীক্ষা চালায়। তেল দূষণ থামানো না গেলে প্রথম ১৫ দিনের মধ্যে পাখি, কচ্ছপ, ছোট মাছ ও অমেরুদণ্ডী প্রাণী মারা যেতে পারে বলে ওই সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল। তবে তারপর এক যুগ পেরিয়ে গেলেও কোনো প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি।

বক্তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে প্রাণবৈচিত্র্য ধ্বংসের পাশাপাশি মানবদেহেও দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সার, কিডনি ও যকৃত অকেজো হয়ে যাওয়া, স্নায়ুর স্থায়ী ক্ষতিসাধন, রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া এবং রক্তের তারল্য বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 জাহাজধার, তেল
তুলবে এলাকাবাসী - See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/first-page/2014/12/12/162034#sthash.VhnQ2yVC.dpuf
ইউএনডিপির উদ্বেগ, পাশে থাকার আগ্রহ
* জাহাজ উদ্ধার, তেল তুলবে এলাকাবাসী - See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/first-page/2014/12/12/162034#sthash.VhnQ2yVC.dpuf
নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা ও মংলা

অবিলম্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন সক্রিয় করার দাবি

http://ekusheralo24.com | November 15, 2014

Professor Dilip Kumar Datta, Environmental Science discipline, Khulna University is addressing the participants of CLEAN's program on Sidr Day 2014
দ্রুত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন সক্রিয় করা না হলে দুর্যোগের সময় দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ বহুগুণে বেড়ে যাবে। আজ সিএসএস আভা সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন। ২৫০টিরও বেশি সংগঠনের জোট গ্রামীণ জীবনযাত্রার স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য প্রচারাভিযান (সিএসআরএল) এবং উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন)-এর যৌথ উদ্যোগে সুপার সাইক্লোন সিডরের ৭ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দৈনিক কালের কণ্ঠের খুলনা ব্যুরো প্রধান ও পরিবেশ-কথক গৌরাঙ্গ নন্দীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট জলবায়ু বিজ্ঞানী ও সিএসআরএল-এর সাবেক সমন্বয়কারী ড. আহসান উদ্দীন আহমেদ এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. দিলীপ কুমার দত্ত। সভায় ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন ক্লিন-এর প্রধান সঞ্চালক হাসান মেহেদী।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ২০০৭ সালে সিডরের আঘাতে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু, ৩৫ লাখ মানুষের বাস্তুচ্যূতি এবং ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হবার পর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন প্রণয়ন করার জন্য কয়েক বছর ধরে সিএসআরএল আন্দোলন করে। অবশেষে ২০১২ সালে আইনটি প্রণীত হলেও দু’ বছরেও প্রয়োজনীয় বিধিমালা ও প্রশাসনিক আদেশ জারি করা হয় নি। ফলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ আইনটি যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে না। ইতোমধ্যে অনেকগুলো বেড়িবাঁধ কেটে নোনাপানি ঢোকানোর ঘটনা ঘটলেও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইনের আওতায় একটি মামলাও করা হয়নি। কারণ, দোষীদের বিরুদ্ধে মামলা করার অধিকার শুধুমাত্র জেলা প্রশাসকের। প্রশাসনিক আদেশ জারি করা ছাড়া জেলা প্রশাসক এ ধরনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন না।

বক্তারা অবিলম্বে প্রয়োজনীয় বিধিমালা ও প্রশাসনিক আদেশ জারি করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন সক্রিয় করা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় ও জাতীয় কমিটিসমূহ কার্যকর করা, জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে জরুরি দুর্যোগ মোকাবেলা তহবিল প্রদান করা, জলবায়ু অভিযোজন ও দুর্যোগ প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমকে সমন্বিত করা ও কেন্দ্রীভূত প্রশাসনিক জটিলতা দূর করাসহ ৬ দফা দাবি জানান।

আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাসাস-এর শামীমা সুলতানা শিলু, রূপায়নের খালিদ হোসেন, ছায়াবৃক্ষের মাহবুব আলম বাদশা, আইআরভি’র আজিজুর রহমান ছবি, এ্যাওসেড-এর পলাশ দাশ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারজানা খাতুন, ক্লিন-এর আকবর হোসেন, রেজাউল করিম জিতু প্রমূখ।

Sundarban left unprotected for years: Govt ignores its own suggestions

Daily NewAge | December 20, 2014 12:38 am
Tapos Kanti Das
-------------------------------------------------------
Non-implementation of decisions and suggestions of different government and green organisations has left Sundarban vulnerable for years. Experts and greens believe that the Sundarban oil spill disaster could have been avoided if the decisions and recommendations had been implemented.

On December 9, oil tanker OT Southern Star-7 sank in the Shela River flowing through Sundarban emptying into the river most of the  3.58 lakh litres of furnace oil it was carrying, affecting 350 square kilometres of forest. ‘We had opposed the operation of vessels through the Shela River route in Sundarban when it began in 2011,’ environment and forest minister Anwar Hossain Manju told New Age on Friday after visiting the affected areas.

He, however, said that the damage inflicted on the environment and bio-diversity of Sundarban by the oil spill was ‘not as grave as we had feared’. After the suggestions of the ministry were ignored in 2011, the forest department imposed a ban on movement of vessels through the Shela River route at night, but the order was also not executed, senior forest department officials said. They said that OT Southern Star-7 was sailing at night before it capsized in dense fog before daybreak.

The greens, however, alleged that the government never paid heed to their concern and took the Sundarban issue lightly. Preservation of Sundarban was never a priority of the government. Referring to ‘Oil spill impact on the Sundarban Mangrove Forest Report’ of 2002 under the government’s ‘Oil spill impact and response management programme’, they alleged that the government knew how and when an oil spill problem should be addressed for reduction of losses, but they did not do so.

The study conducted by Japan Oil Engineering Company Limited, in association with Fuyo Ocean Development and Engineering Company Ltd of Japan and Consolidated Services Limited, Bangladesh, suggested earliest coordinated response by all departments concerned, use of booms and skimmers to prevent the spilled oil from spreading and immediate start of cleaning procedures.

‘Improvised booms may be made  from readily available materials, such as bamboos, logs, gunny bags, raw jute, rags, and straw bales to collect the floating oils on the water surface. Involvement of local people in combating the oil spills, if possible, is highly recommended from the viewpoint of more cost-effective operation,’ the July 2002 report said.

‘The accident occurred on November 9, but the government agencies concerned waited for three days to take a decision to begin oil slick cleanup operation using villagers,’ Sundarban Watch Group member-secretary Hasan Mehedi said and alleged that the time allowed the spilled oil to spread over vast areas through six high tides and as many low tides. Actually, he said, the government ignored its own suggestions and had no preparedness to face such accidents though it allowed commercial ships to carry oil and other materials harmful for nature through the Sundarban river route.

‘Actually, Sundarban was never a priority concern of the government and it has been proved by the accident, the government’s belated response and taking the matter lightly,’ Sundarban Rokhkha Jatiya Committee member-secretary Abdul Matin alleged. He alleged that the government had never paid heed to the concerns expressed by the greens and experts on plying of vessels on Sundarban rivers and destructive projects near the mangrove forest.

Illegal lumbering poses threat to Sunderbans

Daily NewAge | December 29, 2015 12:44 am
Tapos Kanti Das
------------------------------------------------------- 
Stamps of newly cut Kakra trees jut out along Hai Saheber Canal near Kailashganj patrol spot under Nalian range of the Sunderbans west division. The photo was taken on December 22. — courtesy: Md Rabiul Alam
Illegal commercial tree felling by poachers is posing a serious threat to the Sunderbans. Forest experts and the people living close   to the world’s   largest mangrove forest expressed serious concerns over what they called unabated tree felling for commercial purposes with little or no efforts to prevent the illegal timber collection.

During a recent visit to the Sunderbans Khluna University forestry and wood technology teacher Robiul Alam said that he saw timber logs being transported to nearby localities by big boats. On inquiry, he said, he came to  know that indiscriminate cutting of trees takes place mostly at night. Later, he said, the extracted timber logs are shipped to different destinations.

Locals and conservationist said that the illegal deforestation by poachers occurs with support from the corrupt forest personnel. Continuous poaching left patches of deforestation in the protected Sunderbans, they said. They said that in raids, which are rare, bystanders see valuable   Sundari, Garan and Kakra timber logs being seized.

The 6,017-square km Sunderbans covering areas in the three coastal districts of Khulna, Satkhira and Bagerhat provides the protective shield against cyclones and tidal bores to the coastal population. Forestry teacher Rabiul Alam told New Age that he was on a study tour of select areas in the Sunderbans on December 21 and 22 for his PhD research project. He said that during his visit to  Kailashgonj patrol spot and the nearby forests in the  Sundarbans he found freshly sawn off the bases of Kakra trees, with the stems gone from the spot. Only the branches could be seen lying scattered by the Hai Shaheber canal. He said as he ventured deep into the forest he found more and more freshly sawn off bases of  Kakra trees.

During his overnight halt at the  house of a villager at Kailashganj, while taking a walk after dinner  along the  embankment by the Bhadra River, he saw a big boat quickly unloading timber logs from the Sunderbans, he said. On the following day, he said, forest personnel discouraged him to visit another area in forest on various pretexts. A villager told New Age that he sees the same picture almost every night. But he refused to be quoted for fear of his life.

On December 22, Sarankhola police seized three engine vans loaded with 62 Sundari timber logs from Panchmatha, Sarankhola, Bagerhat and arrested Nayan Hawlader of Dakhkhin Kadamtala and  Sohel Hossain of Rajoir, both the villages  under Sarankhola  upazila. Sarankhola police said both of them were members of a gang poachers. On November 15, police and the forest department officials seized 84 abandoned Kakra timber logs from the Kayra River at Ghughrakathi Bazaar,  Kayra, Khulna.

Not even one per cent of the timbers extracted by the poachers from the Sunderbans are ever seized, said Hasan Mehedi, member secretary of Sunderban Watch Group, a platform of 13 Khulna based civic groups. Seldom raids take place to seize timber logs from the Sunderbans stacked at remote areas under Paikgachha,  Dacope, Kayra , Morelganj,  Sarankhola and Shyamnagar upazilas.

Stern action would be taken against anyone found felling  trees, said conservator of forest Zahir Uddin Ahmed. Asked about what the KU teacher saw recently, the rangers said the matter was under investigation following his lead.

Govt negligence accelerates Sunderbans’ degradation

Daily NewAge | 2015-11-30
Tapos Kanti Das
---------------------------------

The government’s negligence is accelerating environmental degradation in the Sunderbans, said experts. As a result, they said that the unique biodiversity of the world’s largest continuous mangrove forest was under threat. They squarely blamed the government decision of allowing commercial vessel movement along the rivers passing through the Sunderbans for the degradation of the world heritage site.

They said three major accidents in last one year endangered the mangrove forest by spilling oil  and chemical fertilizers and dropping cargo boat load of coal. They said that several factories and other establishments were  polluting the forest. Salinity intrusion facilitated by India’s withdrawal of the Ganges waters from the upstream also posed threats  to less salt tolerant species of the Sunderbans, said Dilip Dutta, who teaches environmental science at Khulna University.

A joint report of the United Nations and a government  Mission on last year’s oil spills was a serious wake up call to stop vessel movements through the Sunderbans. Commercial vessels, mechanized fishing and tourist boats  drop pollutants and cause noise pollution in the mangrove forest,  Sunderbans Watch Group member secretary Hasan Mehedi told New Age. No tigers can be seen at Kotka known as a tiger spot only five year ago, he said. Citing a report of the department of environment, he said that 149 factories and  establishments located at environmentally critical areas also posed threats to  the Sunderbans.

Unauthorised tree felling by dishonest traders by greasing palms of forest personnel is also endangering the mangrove forest, said golpata collector Arshad Sarder from Koira. He said fishermen often trespass into the protected sanctuaries in search of more fish. He said that golpata collectors often harvest more than their permits allow to please traders employing them which endanger the golpata palms.

The Sunderbans west divisional forest officer Jahir Uddin, said that that they had already written to the ministry concerned to issue a directive for stooping cutting of Golpata. ‘We have already managed to stop cutting of trees in the mangrove forest and continued our drives against the poachers,’ he added. A recent survey using camera trapping found a sharp decline in tiger population in the Bangladesh part of the Sunderbans due poaching and allowing vessel movements.

A coal-fired power plant under implementation in Bangladesh would bisect the Sunderbans tiger population said YV Jhala, professor of the Wildlife Institute of India and chief adviser of the camera trapped tiger count. At least 52 tigers were killed by poachers, angry villagers or natural disasters in last 16 years, said Forest Department’s Wildlife Management and Nature Conservation official in Khulna Md Jahidul Kabir.

Forest Departments probes following recovery of three tiger hides from Khulna in August found that the adult big cats were poisoned by poachers. Khulna University forestry and wood technology professor AK Fazlul Huq, an acknowledged expert on the Sunderbans, blamed uncontrolled human intervention and excessive extractions of forests resources for the degradation of the forest and its environment. Besides, he said, there was none to check tourist movement and stay within the Sunderbans for which its ecology was under threat.

He called for the introduction of  nature friendly integrated tourist and forest management. He called for banning commercial vessel movement through the Sunerbans and keeping the Mongla-Ghosiakhali channel fit for round the year movement of all sorts of vessels. He also said that the use of Passure channel should be strictly regulated banning vessel movement at night and by imposing controls on speed and anchoring.

Bangladesh Inland Water Transport Authority chief engineer Md Abdul Matin told New Age that it could not be said right now when Mongla-Ghasiakhali channel would be opened for all types of vessels as the channel had been facing continuous siltation.

The forest department's ridiculous management is responsible for the Sundarbans blazing

Speakers on the discussion of World Forest Day 2010
The forest department's ridiculous management is responsible for the Sundarbans blazing
The Sundarbans is burning for 9 times in last 5 years
----------------------------------------------------------------
To observe the World Forest Day 2010, Sundarbans Watch Group organized a discussion meeting on Conserving Forest: Conserving Civilization. The meeting was chaired by Sazzadur Rahim Pantha and conducted by its SWG member secretary Hasan Mehedi. 32 participants including journalist, development worker, social and cultural activist, teacher, lawyer and physicians were present in the meeting.
The meeting participants urge the government to take necessary measures to conserve the Sundarbans from subversive activities of the plunders, traders, musclemen and dishonest forest officials. The Sundarbans is the largest single tract mangrove forest in the world. It is not only our but also the civilization's resource, they said. It is our ethical responsibility to save it.
The participants are informed that the Sundarbans is now burning in the Chandpai range, Bagerhat of the Sundarbans East Division. It is ridiculous that the forest is burning every year due to lack of proper supervision of the Forest Department.  This is ninth times in last five years, fire spread out in the Sundarbans.
The fire was spread out yesterday (20 March 2010) and local forest guards were trying to dismantled the flames. The participants are informed that more than a hundred forest department workers, fire fighters and local people battled through Sunday to douse a forest fire in the Sundarbans. Now the fire had spread across about five acres of forest.
The fire originated at Payshatti Chhila in Gulishakhali camp under Chandpai Range situated in the eastern part of the Sudarbans. There are a plenty of flora resources including Sundari, Possur, Bain, bushes and creepers are available in this forest-area. All of the species of at least five acres forest has already been burned because this area is drier than the other in February-April season.
The fire fighters managed to keep the fire contained by digging deep ditches around the fire-hit area but they could not stop fire till evening. The forest department decided to suspend the fire fighting for the night at around 8:30pm, for fear of wild animal attacks.
The forest officer could not say how long it might take to fully quench the fire. He also said the forest department could not yet discover the cause of the fire. "Fallen leaves were lying about six to nine inches thick on the forest floor at this time of year. Flammable methane gas is produced when those leaves decomposed. This area (Payshatti Chhila) is very dry from February to April every year. Therefore, there is always a possibility of fire", the forest officials said to the press.
But the participants of the meeting conclude that three major causes may be responsible for this burning: (a) Illegal plunders extract timber trees from an area without consideration of sustainability. After collection, they make fire in the forest on the basis of negotiation with dishonest forest officers so that none can proof the actual amount of trees in the certain area; (b) Moual (honey collectors) community members left their traditional Garhu (fired bunch of leaves for smoke) blazing after collecting honey. It sets fire to dry leaves; and (3) Patrol guards of forest department and the fishermen cook their rice in forest using dry branches and leaves and left if without extinguishing. It causes fire.
The participants express their concern as fires have broken out at least nine times at different places of the east division of the Sundarbans, consisting of Chandpai and Sharankhola ranges, since 2004. The speakers in the meeting urge to the government for taking several measures including:
(a) Establishment of Fire Stations in each Range of the Sundarbans with speedy vessel; 
(b) Enforcing laws strictly to protect the plunders from extracting valuable resources of the Sundarbans;
(c) Ensuring transparency towards responsibility and accountability of the Forest Department; 
(d) Providing modern tools to the Mouals for collecting honey from the Sundarbans; and 
(e) Enhancing capacity of forest department through vehicle, instrument, arms and cash incentive.
Among others, Bangladesh Environmental Lawyers' Association (BELA) divisional coordinator Mahfuzur Rahman Mukul, Alliance for Justice director Al Masum Khan and NEEDS Bangladesh executive director Habibur Rahman Kabir addressed the meeting.

Climate Justice Week calls for cut in carbon emission

APMDD | 12 November 2012
------------------------------------
Climate Justice Campaign coordinator Hasan Mehedi is addressing the journalists in Press Conference of Cliamte Justice Week
 Several environment organisations on Sunday announced weeklong programmes to observe Climate Justice Week-2012 to recall the deaths and damages caused by cyclonic storms Sidr and Aila. CLEAN (Coastal Livelihood and Environmental Action Network) in collaboration with Campaign for Sustainable Rural Livelihoods (CSRL), Climate Finance Governance Network (CFGN), Oxfam and Oxfam-led global campaign GROW observed the week in November 11-17 with more than 100 organisations of 23 districts.

The districts are Bagerhat, Barguna, Barisal, Bhola, Kushtia, Chittagong, Comilla, Cox's Bazar, Dhaka, Feni, Gaibandha, Jessore, Khulna, Kishoreganj, Narail, Natore, Noakhali, Patuakhali, Pirojpur, Rangamati, Satkhira, Sunamganj and Sylhet. The programmes included media campaign, mass rallies, human chains and cultural functions in 23 districts, said convenor of CFGN Shamim Arfeen at a press conference at Khulna Press Club.

Coordinator of the campaign Hasan Mehedi, civil right leaders Advocate Feroz Ahmed and Shamima Sultana Shilu were present in the press conference. The organisations are observing the week because the developed countries are trying to evade their responsibility to reduce carbon emission when they are liable for the devastating global warming, said convener of CFGN Shamim Arfeen.

He also blamed the developed countries for delaying delivery of adequate finance for adaptation. The green organisations of 23 districts have announced nine-point demands which include reduction of emission, stopping of debt-business of multilateral development banks by using climate-crisis, ensuring transparency, equity and justice in climate finance, allowing climate-forced migrants in developed countries, include population and reproductive health in climate adaptation, ensuring new and additional fund for most vulnerable countries, keeping World Bank out of climate funds and ensuring local ecology-based adaptation, it was informed in the press conference.

Oil slick clean-up effort frustrating

Tritiyomatra News from Daily Newage
-----------------------------------------------
A village boy is working for collecting slicked oil from Shela River

Irrawaddy dolphin or Shushok that typically wandered around in Shela and adjacent rivers and canals has been out of sight in the 60 kilometres area in Sundarban for past four days raising fears that the oil spilled in the river by the sunken tanker Southern Star-7 might have taken a toll on marine life.The owners of the oil tanker, which capsized in river Shela early Tuesday, on Friday claimed that almost the entire amount of 3.57 lakh liters of furnace oil carried by the tanker had spilled into the water after the . capsize.Witnesses, local government representatives and green activists said that small fishes and snakes were dying for the adverse effect of the oil floating on the rivers that include the largest one of the three dolphin sanctuaries in Sundarbans.

‘Our oil tanker, OT Southern Star-7, carrying 3.57 lakh litres of furnace oil from Khulna depot of Padma Oil Company to a power plant in Gopalganj, sank in Shela river in Sundarbans early Tuesday. The company experts have examined it after salvage and found only around 400 litres of oil in it,’ Md Giasuddin, managing director of Harun and Company that owns the oil tanker, said.He said that the master of the sunken oil tanker, Mokhlesur Rahman, still remained ‘missing’.An earlier decision that the salvage ship Kandari-10 would use chemicals to neutralise the oil, was suspended temporarily in the face of the opposition from the forest and environment departments as they wanted to examine the chemical to determine whether it was harmful to the forest’s flora and fauna and the environment,’ Mongla Port Authority chairman commodore Habibur Rahman Bhuian told New Age.

He said the departments had collected samples and visited the affected areas on Friday and already sent their findings to the ministry concerned. ‘We are expecting their direction anytime to work accordingly.’The MPA chairman said that the villagers were taking seepage off the river water and, to his knowledge, Padma Oil Company bought a few thousand litres of the furnace oil collected by the locals.Chila union parishad chairman Md Shafiqul Islam Russell told New Age that he had found villagers selling about 700 liters of furnace oil they had collected to Padma Oil Company at a rate of Tk 30 per litre.

‘The situation is devastating. The clean-up efforts are too little to tackle the situation. The delay would certainly take a huge toll on nature. Small fishes and invertebrates are dying. No fish is available in the affected areas and the fishermen are the worst affected,’ Sundarbans Watch Group member secretary Hasan Mehedi told New Age. He said that no Irrawaddy dolphins could be seen in past four days in the affected waters.

The Chila union parishad chairman corroborated the claims.Government officials in Khulna and Bagerhat, however, skipped questions on the issue.The MPA chairman said that two expert probe teams – one from the environment and forest ministry and the other from the shipping ministry – had visited the affected areas Friday and they would submit their findings to the respective ministries.The port authority would join the clean-up operation using their own vessels on Saturday, he said.He said that the floating oil was still spreading affecting more areas.On Thursday, forest department officials in Khulna said that the oil spill spread over 60 kilometres of the rivers. The affected rivers include Shela, a part of Passure and its adjacent canals flowing through Sunderban.

Thick black layer of the furnace oil was seen on the tree trunks on the riverbank and on the shorelines in the affected areas, including parts of Sunderban, and it was affecting lives of the people in nearby villages, locals said.The government on Friday cancelled all holidays of forest and environment departments in Khulna region until further order, Sunderban west zone divisional forest officer Zahir Uddin Ahmed told New Age.

According to forest department’s primary estimate, about 24,000 hectares of Sunderban had been directly affected by the oil spill and the losses would be over Tk 100 crore.On Friday, different organisations in Dhaka and elsewhere in the country demanded a permanent ban on plying of ships and other vessels through Sunderban channels and cancellation of all industrial projects near the mangrove forest.In Dhaka, Sunderban Rakkha Jatiya Committee and Biggyan Andolan Mancha formed separate human chains in front of the National Press Club Friday morning to press the demands to save Sunderban. In Barisal city, the district unit of Biggyan Andolan Mancha formed a human chain in front of Ashwini Kumar Hall to press home the demand.

Marvellous Mangroves Connects CMCN and CLEAN

---------------------------------------
Delegates from the Chinese Mangrove Conservation Network (CMCN) have just returned from a ten-day visit to the Sundarbans hosted by our friends at the Coastal Livelihood and Environmental Action Network (CLEAN).
China Mangrove Conservation Network (CMCN), Putian Green Sprout Coastal Wetlands Research Center (PGSCWRC), SEE Foundation and Eco Peace Asia representatives in front of CLEAN Office, Khulna
The original idea came from MAP’s Education Director Martin Keeley, when he visited both China and India this past summer to work on the continued spread of the Marvellous Mangroves curriculum. Mr. Liu Yi, executive director of CMCN, was looking for a location to take his staff to explore Asia’s mangroves forests. Martin suggested to Mr. Yi and his assistant, Jessica Sun, that they contact Hasan Mehedi, executive director of CLEAN, so they could explore the wonderful Sundarbans mangrove forests.

CMCN, SEE Foundation and Ecopeace Asia representatives visited Belphulia Islamia Collegiate School
When Martin went on to visit Bangladesh to run another MM workshop, he also ran the idea past Mehedi. And so the seeds of the exchange were sown, and ended up with an exciting exploration of the Sundarbans, as well as visits to several schools in the Khulna region. The photos show the whole crew from both organizations, as well as CLEAN’s Rezaul Karim Zitu leading the mangrove food web activity with one of the local schools.

Rezaul Karim Zitu, Education Coordinator of CLEAN organized a Mangrove Food web in Belphulia Islamia Collegiate School, Rupsa, Khulna during visit of China representatives
“Now the introductions and the explorations have been made, I am hoping this will lead to greater co-operation between the two groups as they continue spearhead the spread MAP’s Marvellous Mangroves curriculum throughout both countries,” comments Keeley.

Environmental education like the Marvellous Mangroves curriculum is critically important, and we are delighted to help educate the next generation of mangrove stewards. Moments like these, when we can connect groups of passionate and dedicated people to students around the world, are especially rewarding.

Green groups call for formation of global climate court

BSS News | Khulna, Nov 27, 2015 (BSS)

People's Climate March in Khulna organized by CLEAN and NRDS | 27 November 2015
Bangladeshi green groups have called for forming an international climate court to compel Annex-1 countries in reducing drastic emission cut. They also demanded making a legally bound agreement in Climate Conference (COP21) in Paris on December 29-11.

The groups jointly presented a nine-point demand for climate justice in a demonstration after "People's Climate March" in Khulna city today.

Coastal Livelihood and Environmental Action Network (CLEAN), Gandhi Ashram Trust (GAT), Noakhali Rural Development Society (NRDS), Participatory Research and Action Network (PRAN) and Prantojon organized "Climate March" in Coastal Zone of Bangladesh under the umbrella of Global Call to Action Against Poverty (GCAP).
Human Chain after the People's Climate March organized by CLEAN and NRDS on 27 November 2015
Presided over by CLEAN chief executive Hasan Mehedi, the demonstration was addressed by Paribartan-Khulna executive director Nazmul Azam David, Bangladesh Human Rights Unity president Sheikh Abdul Halim, Janaudyog member secretary Mohendranath Sen, and Chhayabrikkho executive director Mahbub Alam Badsha, among others.

The speakers said carbon density in atmosphere already crossed 400 ppm as Annex-1 countries did not follow Kyoto Protocol. Due to increasing temperature, thousands of people of Bangladesh are being displaced every day.

More than 20 million people are likely to be displaced by 2050 as per projection of different research findings. A drastic cut in emissions is needed urgently to limit temperature rise within 1.5 degrees centigrade and to reduce vulnerability of the people, they added.

They said: "But developed countries are not agreed to come under a legally bound agreement and draft text of Paris Conference doesn't have any element to oblige them. If the temperature rises as now, vulnerable countries like Bangladesh are very likely to face serious shortage of staple food by 2050."

Right Groups Express Concern on Government Silence on Climate Finance and Planning Bangladesh must not be misread to International Community

Published by Maleya Foundation: Thursday, 26 June 2014 11:14

Syed Aminul Hoque of EquityBD addressing the participants
Today seven civil society right based networks express concern on the government’s non-allocation in climate fund in the proposed budget of FY 2014-15 and the silence of environment ministry about climate planning and international negotiation process. They said that this approach will give wrong signal to the international community about the country’s climate related program.

The groups have organized a press conference in national press club titled “Government Kept Silence on Climate Issues might give Wrong Signal to National and International Community” today. The organizers are Bangladesh Poribesh Andolan (BAPA), Bangladesh Indigenous People’s Network on Climate Change and Bio-Diversity (BIPNetCCBD), Campaign for Sustainable Rural Livelihood (CSRL), Climate Change Development Forum (CCDF), Coastal Development Partnership (CDP), Coastal Livelihood and Environmental Action Network (CLEAN), Somaj and Equity and Justice Working Group Bangladesh (EquityBD). 

EquityBD’s Chief Moderator Rezaul Karim Chowdhury moderated the press conference while the other speakers are Dr Abdul Matin of BAPA, Pychimong Marma of BIPNetCCBD, Sobnom Hafiz of Somaj, Mostafa Kamal Akanda from EquityBD.  

While presenting the keynote paper on behalf of the group, Sayd Aminul Haque of EquityBD said that the International community appreciated the government’s initiative of establishing Bangladesh Climate Change Strategic Action Plan (BCCSAP) 2009 which is supported by Bangladesh Climate Change Trust Fund (BCCTF) from the country’s own fund as an advance national footstep for climate adaptation and financing. But in the current proposed budget neither the Finance Minister allocated any money for BCCTF nor he mentioned anything regarding climate-planning process in his speech. In fact, which might result counterproductive images of the country both in national and international level? 

Dr Abdul Matin of BAPA mentioned that civil society criticizes corruption in climate fund but it does not mean that civil society is against the fund. The government should go for democratic and corruption free trust fund in this regard and must review and update the climate change strategic planning document like BCCSAP which is prepared in 2009. 

Pychimong Marma of BIPNetCCBD describes the worsening climate impacts in Chittagong Hill Tracts that there is hardly any funding for climate adaptation for that particular area. He also expresses concern on concept of carbon trading. 

Rezaul Karim Chowdhury of EquityBD and the moderator of the press conference demanded a pro-active roadmap from the government and Environment Ministry on how it would apply in the global GCF (Green Climate Fund), which has just started business. The government of Bangladesh also must declare how they will be prepared and lead toward the climate conference in Lima in 2014 and Paris in 2015. He also assured that according to the past days the civil society will cooperate government delegation in all these international negotiations.


Bangladeshi protest intensifies against Rampal coal plant

CLIMATEHOME

The Sundarbans are home to 4 million people, as well as a rich range of wildlife (Flickr/Frances Voon)
Environmentalists have intensified protests in Bangladesh against a planned coal-fired power plant near the world’s largest mangrove forest.

The Communist Party of Bangladesh (CPB) and the Socialist Party of Bangladesh (SPB) recently concluded a 5-day “Road March to Save the Sundarbans” with a call to save the sensitive ecosystem.
A nationwide demonstration against the Rampal plant, which is located 14km from the World Heritage Site, is planned for 26 November.

Speaking at a press conference in capital Dhaka on Tuesday, CPB president Mojahidul Islam Selim threatened further action if the government does not stop work on the project by the end of the month.

In a country hungry for modern energy, campaigners are nonetheless rising up to protect the home of Bengal tigers and endangered Irrawaddy river dolphins.

“We are not against coal-based power plants, because we need power for development,” said Hasan Mehdi, executive director of Khulna-based Coastal Livelihood and Environmental Action Network (CLEAN). “But the question is why the power plant should be set up near the Sundarbans, a world heritage site? We have many places to set up such a coal-fired power plant.”

The proposed 1,320MW power station is a joint venture of national Bangladeshi and Indian companies. They are publishing advertisements in daily newspapers, insisting that Rampal poses no threat to the Sundarbans.

Nearly a third of Bangladeshis have no access to electricity and demand is increasing about 6% a year. Rampal would increase the country’s power capacity by more than 10%. At present, it has 12,000MW installed, mostly fuelled by natural gas. To cut dependency on gas in power generation, the government is planning to build eight large and 10 small coal-fired stations by 2021.
The Sundarbans are the world’s biggest mangrove forest, spanning the coastline of India and Bangladesh (Wikimedia Commons)
The National Committee to Protect Oil, Gas, Mineral Resources, Power and Port of Bangladesh is backing the counter-protest with a national convention in the capital on 14 November to mobilise public opinion in favour of the plant.

At a recent press conference in Dhaka, energy minister Nasrul Hamid claimed that modern ultra-super thermal technology would be used, so the plant would not pollute surrounding areas.
Green campaigners are not convinced.

Anu Muhammad, activist and economics professor at Jahangirnagar University, accused the government of spreading misinformation. “Defying all protests and refusing to hold a proper debate over the issue, the government is going ahead with the coal-fired power project. Once the project is implemented, it will destroy the Sundarbans,” he said.

The plant is expected to produce 750,000 tonnes of fly ash and 200,000 tonnes of bottom ash a year, according to the environmental impact assessment (EIA). This contains pollutants like sulphur, arsenic, mercury, lead, chromium and cadmium as well as greenhouse gas carbon dioxide.

An independent analysis of wind flows shows these toxic substances will blow into the mangroves, warned environmental science professor Abdullah Harun Chowdhury. “The Sundarbans will face a long-term impact. Physical growth of plants, their flowering and fruiting will be affected severely while breeding capacity of animal of the forest will be lost,” he said.

Transparency International has called for a fresh assessment involving international experts.
Bangladesh is one of the most vulnerable countries in the world to the impacts of climate change. With 31.5 million people living within a metre of sea level, rising oceans increase the risks of flooding. Mangroves provide a natural buffer against cyclones and storm surges.

Meanwhile, its citizens contribute little to the problem, with carbon emissions of 0.37 tonnes a head in 2011. The figure for India was 1.69t, by comparison, China 6.6t and the US 17t.

Indian green activists throw weight behind resistance to Rampal

Daily NewAge, March 16, 2016 12:12 am
Staff Correspondent
------------------------------------------------------------------------------------------------------
 
Roma Malik from All India Union of Forest Working People responding questions of the Journalists
An Indian delegation team of green activists on Tuesday stressed for unity of citizens to resist the harmful steps against the Sunderbans, especially the construction of a coal-based power plant near the mangrove forest.

Addressing a discussion on ‘Coal Based Power Plant and Coastal Ecology’ at Khulna Press Club in Khulna City, they said the Indian state-owned company, National Thermal Power Company, had no right to establish ventures in other countries to make a profit.

Sundarbans Watch Group, Coastal Livelihood and Environmental Action Network (CLEAN), All India Union of Forest Working People, Centre for Environment and Participatory Research, Bharat Jana Vigyan Jatha, Delhi Solidarity Group, Machhimar Adhikar Sangharsha Sangathan and National Fish Workers Forum jointly organised the discussion, according to a press release issued by the chief executive of CLEAN.

The discussion was arranged in Khulna only two days after conclusion of a five-day long March from Dhaka to Sunderbans by the National committee to protect oil, gas, mineral resources, power and ports, demanding plans for the coal-based thermal power plant in Rampal, Bagerhat, near the Sunderbans, is scrapped.

Addressing the discussion at Khulna Press Club, the Indian delegation team said that coal-based power plant near the Sundarbans would throw the mangrove forest’s ecology in serious danger. They also said people of some areas of India had lost their livelihood due to environmental degradation and, that is why, the Indian court closed the activities of many coal-based power plants there.

That is why, they said, the citizens of the two countries should calculate the probable losses and launch a joint movement against coal-based power plants.

All India Union of Forest Working People’s general secretary Ashok Chowdhury said, as a state owned organisation of India, the responsibility of the National Thermal Power Company is to provide the country’s people with service, and they had no right to establish a company in another country to make a profit.

The Union’s deputy secretary Roma Malik said a few rich companies had made a huge amount of money by destroying the rich natural resources in South Asia. ‘The relation among the people of the countries should be developed to resist them.’

Soumya Dutta of Bharat Jana-Vigyan Jatha said both Bangladesh and India have only one Sunderbans and if any of its part is affected, the impact falls on the other part.
‘If an Indian company is liable for that harm, the people of the two countries should work together. The Indian people will work to stop their company from taking up harmful actions, while Bangladeshi people will work for protecting their ecology.’

Bharat Patel of MASS said over 10 thousand people lost their livelihood for a 300-megawatt coal-based power plant on the bank of the Gulf of Kutch in the state of Gujarat of India as the area lost its fish due to the plants’ release of hot water. ‘Only 200 people, on the other hand, got jobs there.’

‘The environment of the area was polluted due to heavy sound and waste generated from the ships coming to a special port constructed for coal supply to the plant,’ he said.

Magline Peter of Kerala-based National Fish Workers Forum alleged that thousands of fishermen lost their jobs due to the nuclear power plant in Tamil Nadu, beside other coal-based power plants, though they promised to provide jobs for several lakhs working people.

‘Later,’ she said,’ about 10 thousand people were provided with only two-months’ work.’

Presided over by Sundarbans Watch Group convener Gouranga Nandy and moderated by CLEAN chief executive Hasan Mehedi, the discussion was also addressed by the Indian green activists’ delegation team members – Umesh Babu, Seela Mahapatra, Maju Varghese, Rajesh Kumar and Ayesha D’Souza, from different parts of India.

Link: http://newagebd.net/212044/indian-green-activists-throw-weight-behind-resistance-to-rampal/